Skip to main content

Brute-Force কি ? কিভাবে কাজ করে?




 Brute-Force


Brute-Force হচ্ছে একটা অ্যাটাক পদ্ধতি যার মাধ্যমে কোনো টার্গেটের ওপর একই সাথে অসংখ্য পাসওয়ার্ড দিয়ে তার Security Crack করা হয়। 



Brute-Force এর কাজ হচ্ছে আপনার দেওয়া পাসওয়ার্ড লিস্টে টার্গেট এর পাসওয়ার্ড টি খুজা । Brute-Force করতে হলে আপনার নিজের একটা পাসওয়ার্ড লিস্ট থাকা লাগবে । সেটা আপনি টার্গেট এর ইনফরমেশন এর ওপর ভিত্তি করে বানাবেন , যে Target কি কি পাসওয়ার্ড দিতে পারে। 


পোস্টে যে টুল টি দেওয়া হয়েছিল সেটা তে Common 10M পাসওয়ার্ড দেওয়া আসে । এখন আপনার টার্গেট এর পাসওয়ার্ড তার মধ্যে আসে কিনা যেটা যাচাই করবে Brute-Force অ্যাটাক এর মাধ্যমে। যদি এর মধ্যে না থাকে তাহলে আপনার নিজে থেকে পাসওয়ার্ড লিস্ট বানিয়ে দিতে হবে । 



সংক্ষিপ্ত ভাবে বললাম। ভালো লাগলে শেয়ার করতে পারেন। ধন্যবাদ সবাইকে 

Comments

Popular posts from this blog

Termux Beginner to Advance Guidelines

  যারা এখনো টারমাক্স সম্পর্কে জানেন বা প্রশ্ন আছে টারমাক্স ইন্সটল করার পর কি করবো? তাদের জন্য পোস্ট টি। প্রথমত, টারমাক্স ইন্সটল করেই কারো আইডি হ্যাক করা বা হ্যাকার হয়ে যাওয়ার চিন্তা বাদ দেন। আগে শেখার উপর ফোকাস করেন। এখন আসি টারমাক্স এর ব্যাপারে, টারমাক্স সম্পর্কে জানতে হলে আপনাকে প্রথমে লিনাক্স সম্পর্কে জানতে হবে। লিনাক্স কি? লিনাক্স আসলে কোন অপারেটিং সিস্টেম নয়, এটি মূলত একটি কার্নেল—বলতে পারেন, যেকোনো অপারেটিং সিস্টেমের এটি হার্ট, কেনোনা কার্নেল কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করতে সাহায্য করে। যদি সহজ ভাষায় বলতে চেষ্টা করি, অবশ্যই লিনাক্স উইন্ডোজের মতোই একটি কমপ্লিট সিস্টেম, যেটার সাহায্যে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব। তবে টেকনিক্যালি এটি উইন্ডোজ থেকেও বেশি কিছু। লিনাক্সকে একটি ইঞ্জিন বলতে পারেন, যেটি আলাদা অনেক অপারেটিং সিস্টেম চালানোর জন্য পাওয়ার প্রদান করে থাকে।  লিনাক্সের উপর তৈরি অপারেটিং সিস্টেম গুলোকে ডিস্ট্রিবিউশন বা সংক্ষেপে ডিস্ট্রো বলা হয়, যেমন- উবুন্টু, লিনাক্স মিন্ট, রেড হ্যাট, ফেডোরা, ইত্যাদি। বর্তমানে হ্যাকারদের বহুল ব্যাবহৃত Kali...

What is hacking? হ্যাকিং কি?

  হ্যাকিং বলতে একটি কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কে অননুমোদিত অ্যাক্সেস লাভের কাজকে বোঝায়। এতে হ্যাকার অ্যাক্সেস করার জন্য অনুমোদিত নয় এমন তথ্য বা সংস্থানগুলিতে অ্যাক্সেস পেতে সিস্টেমের সুরক্ষার দুর্বলতাগুলি সনাক্ত করা এবং শোষণ করা জড়িত। হ্যাকিং বিভিন্ন কারণে করা যেতে পারে, যার মধ্যে আর্থিক লাভ, ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য, অথবা একটি সিস্টেমের নিরাপত্তা পরীক্ষা এবং উন্নত করা। যাইহোক, এটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে অনুমতি ছাড়া হ্যাকিং অবৈধ এবং এর ফলে ফৌজদারি অভিযোগ, জরিমানা এবং কারাদণ্ড হতে পারে। হ্যাকিং দুই ধরনের: এথিক্যাল হ্যাকিং এবং অনৈতিক হ্যাকিং। এথিক্যাল হ্যাকিং, যা পেনিট্রেশন টেস্টিং নামেও পরিচিত, দুর্বলতা শনাক্ত করতে এবং নিরাপত্তা উন্নত করতে সিস্টেম মালিকের অনুমতি এবং জ্ঞান নিয়ে করা হয়। অপরদিকে, অনৈতিক হ্যাকিং করা হয় অনুমতি ছাড়া এবং দূষিত উদ্দেশ্যে। এটা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ যে হ্যাকিং যখন নৈতিক এবং অনৈতিক উভয় উদ্দেশ্যেই ব্যবহার করা যেতে পারে, এটি সর্বদা নৈতিক ও আইনানুগভাবে কাজ করা এবং অন্যদের গোপনীয়তা এবং নিরাপত্তাকে সম্মান করা গুরুত্বপূর্ণ। হ্যাকিং বলতে সাধারণত কম্...

কার্ডিং বা ক্রেডিট কার্ড হ্যাকিং কি?

  আজ আমি কার্ডিং বা ক্রেডিট কার্ড হ্যাকিং নিয়ে বেসিক আলোচনা করবো। কার্ডিং কিঃ  নরমালি বুঝতে পারছেন এটি কার্ড এর সাথে সম্পর্কিত। সাধারণত ক্রেডিট কার্ড এর ইনফর্মেশন হ্যাক করা কার্ডিং। শুধু এটাই না কার্ডিং অনেক রকমের হয়। মনে করেন যদি আপনার Coinbase বা বিভিন্ন শপিং সাইটের ইউজার পেমেন্ট ডাটাবেজে বা অন্য কোন অনলাইন অ্যাকাউন্টের অ্যাক্সেস পেতে পারি সেটাও কার্ডিং। তবে কার্ডিং যে ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহার হয় তার একটি উদাহরণ হলো কম দামে কোন প্রোডাক্ট কেনা বা ফ্রি কেনা। বাস্তব উদাহরণ হিসেবে মনে করুন আমি অনলাইন শপ থেকে একটি 5 ডলারের গিফট কার্ড কিনব। সাধারণ ভাবে এটার জন্য আমাকে 6 ডলার পে করতে হবে। কিন্তু আমি কার্ডিং এর মাধ্যমে 1/2 বা 0 ডলারে আমার পেপাল থেকে পে করব এবং গিফট কার্ডটি কিনতে পারব। এই পদ্ধতিকে Html Injection বলা হয়ে থাকে। অনেকে হয়তো বিশ্বাস করতে পারছেন না। আপনি যদি কখনো dark web এর অনলাইন গিফট কার্ড শপে ভিজিট করে থাকেন তাহলে আপনি দেখবেন ওখানে গিফট কার্ড গুলোর মূল্য নরমালি শপের থেকে অনেক কম। কারণ এগুলো কার্ডিং এর মাধ্যমে হ্যাক করে পরে বিক্রি করে। গুগল এ সার্চ করে আরো জানতে পারবেন। ক...