Skip to main content

কম্পিউটার প্রোগ্রামিং নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন - উত্তর




Programming Language 



০১. কম্পিউটার প্রোগ্রাম কী?

উত্তরঃ কম্পিউটারে কোনো একটি বিশেষ কার্য সম্পাদন বা সমস্যা সমাধানের জন্য রচিত বা লিখিত ধারাবাহিক কতগুলো বিশেষ নির্দেশাবলী (instruction) বা কমান্ডকে কম্পিউটার প্রোগ্রাম বলে।

০২. প্রোগ্রামিং ভাষা কী?

উত্তরঃ কম্পিউটাকে আমাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশাবলী জানানোর জন্য এক বিশেষ ধরণের ভাষা ব্যবহার হয়। এ বিশেষ ধরণের ভাষা কম্পিউটার প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে বলে একে প্রোগ্রামিং ভাষা বা Programming Language বলে।

০৩. কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষার কয়টি প্রজন্ম?

উত্তরঃ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষার ৫টি প্রজন্ম।

০৪. গঠন বিচারে ও বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী কম্পিউটার ভাষাকে কত ভাগে ভাগ করা যায়?

উত্তরঃ পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়।

০৫. যান্ত্রিক ভাষা কাকে বলে?

উত্তরঃ কম্পিউটার যন্ত্রটি সরাসরি যে ভাষা বুঝতে পারে সেই ভাষাকে যান্ত্রিক ভাষা বলে।

০৬. নিম্নস্তরের ভাষা কাকে বলে?

উত্তরঃ যান্ত্রিক ভাষায় শুধুমাত্র ০ ও ১ দিয়ে লেখা হয়, সেজন্য যান্ত্রিক ভাষাকে নিম্নস্তরের ভাষা বলা হয়।

০৭. কিসের উপর ভিত্তি করে কম্পিউটারের ভাষা লেখা হয়?

উত্তরঃ বাইনারি ১ দ্বারা বিদ্যুৎ আছে (on) এবং ০ দ্বারা বিদ্যুৎ নেই (off) এর উপর ভিত্তি করেই কম্পিউটারের ভাষা তৈরি করা হয়।

০৮. কবে অ্যাসেম্বলি ভাষার প্রচলন হয়?

উত্তরঃ ১৯৫০ সাল থেকে।

০৯. অ্যাসেম্বলি ভাষায় প্রোগ্রাম নির্বাহ প্রক্রিয়া কেমন?

উত্তরঃ অ্যাসেম্বলি ভাষা প্রোগ্রাম → অ্যাসেম্বলার → অবজেক্ট প্রোগ্রাম।

১০. উচ্চস্তরের ভাষার নাম লেখ।

উত্তরঃ BASIC, COBOL, C, C++, PASCAL, FORTRAN ইত্যাদি।

১১. সি (C) কী?

উত্তরঃ উচ্চস্তরের প্রোগ্রাম ভাষা।

১২. C++ কী?

উত্তরঃ অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রাম ভাষা।

১৩. কে C++ ডেভেলপ করেন?

উত্তরঃ বিয়ার্নে স্ট্রোভস্ট্রুপ।

১৪. ভিজুয়াল বেসিক কী?

উত্তরঃ তৃতীয় প্রজন্মের ইভেন্ট ড্রাইভেন প্রোগ্রামিং ভাষা।

১৫. IDE এর পূর্ণরূপ কী?

উত্তরঃ Integrated Development Environment

১৬. জাভা কী?

উত্তরঃ জাভা একটি প্রোগ্রামিং ভাষা।

১৭. ওরাকল কী?

উত্তরঃ এটি একটি ডেটাভেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।

১৮. অ্যালগল কী?

উত্তরঃ একটি উচ্চস্তরের ভাষা।

১৯. ALGOL এর পূর্ণরূপ লেখ?

উত্তরঃ Algorithmec Language

২০. ফোরট্রান কী?

উত্তরঃ ফোরট্রান আদিতম উচ্চস্তরের নির্দেশমূলক প্রোগ্রামিং ভাষা।

২১.ফোরট্রান তৈরি করেন কে?

উত্তরঃ জন বাকস ও অন্যান্য আইবিএম-এ কর্মরত অবস্থায় ১৯৫০ সালে এর দশকের মাঝামাঝি ফোরট্রান তৈরি করেন।

২২. পাইথন কী?

উত্তরঃ পাইথন হল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা।

২৩. পাইথন তৈরি করেন কে?

উত্তরঃ ১৯৯১ সালে Gudio Van Rossum তৈরি করেন।

২৪. চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা কী?

উত্তরঃ কম্পিউটারের সহজে ব্যবহারের জন্য উদ্ভাবিত বিশেষ একটি ভাষাকে চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা বলা হয়।

২৫. উৎস প্রোগ্রাম কাকে বলে?

উত্তরঃ উচ্চস্তরের এবং অ্যাসেম্বলি ভাষায় রচিত প্রোগামকে উংস প্রোগ্রাম ভাষা বলে।

২৬. অনুবাদক প্রোগ্রাম কাকে বলে?

উত্তরঃ যে প্রোগ্রাম কম্পিউটারের উৎস প্রোগ্রাম (যে ভাষায় প্রোগ্রামটি লেখা হয়) কে যন্ত্র ভাষায় অনুবাদ করে বস্তু প্রোগ্রামে রূপান্তর করে সে প্রোগ্রামকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে। যেমন: কিউবেসিকে একটি প্রোগ্রাম লেখা হলো কিন্তু কম্পিউটার এ প্রোগ্রামটি বুঝবে না, এ প্রোগ্রামটিকে অনুবাদ করে মেশিনের ভাষায় (বাইনারিতে) বুঝিয়ে দিতে হয়। এ অনুবাদের কাজে অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়।

২৭. অনুবাদক প্রোগ্রাম কয় প্রকার?

উত্তরঃ তিন প্রকার।

ক. অ্যাসেম্বলার

খ. কম্পাইলার

গ. ইন্টারপ্রেটার

২৮. অ্যাসেম্বলার কী?

উত্তরঃ ইহা অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করে। এটি কোন কাজের সংক্ষিপ্ত শব্দ দ্বারা প্রোগ্রাম রচনা করা হয়।

২৯. অ্যাসেম্বলারের কাজ লিখ?

উত্তরঃ নিম্নে অ্যাসেম্বলারের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো দেওয়া হলোঃ

১. নেমোনিক কোডকে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করে।

২. প্রত্যেক নির্দেশ ঠিক আছে কিনা পরীক্ষা করা, ঠিক না থাকলে ঠিক করা।

৩. সব নির্দেশ ও ডেটা প্রধান মেমরিতে রাখে।

৩০. কম্পাইলার কী?

উত্তরঃ কম্পাইলার উচ্চস্তরের ভাষার উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে অনুবাদ করে। কম্পাইলার সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে এক সঙ্গে পড়ে এবং এক সঙ্গে অনুবাদ করে। ভিন্ন ভিন্ন উচ্চস্তরের ভাষার জন্য ভিন্ন ভিন্ন কম্পাইলার লাগে। কোনো নির্দিষ্ট কম্পাইলার একটি মাত্র উচ্চস্তরের ভাষাকে মেশিন ভাষায় পরিণত করতে পারে। যেমন: যে কম্পাইলার BASIC কে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করতে পারে তা FORTRAN কে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করতে পারে না।

৩১. কম্পাইলারের কাজ লিখ?

উত্তরঃ নিম্নে কম্পাইলারের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো দেওয়া হলোঃ

১. উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে অনুবাদ করা।

২. প্রোগ্রামকে লিংক করা।

৩. প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে তা জানানো।

৪. প্রয়োজনে বস্তু বা উৎস প্রোগ্রামকে প্রিন্ট করা।

৩২. ইন্টারপ্রেটার কী?

উত্তরঃ ইহা ব্যবহারে প্রোগ্রামের ভুল সংশোধন করা ও প্রোগ্রাম পরিবর্তন করা সহজ হয়। কারণ ইন্টারপ্রেটারের প্রোগ্রাম আকারে ছোট বলে মেমরি বাঁচে। তাছাড়া ছোট কম্পিউটারে ইন্টারপ্রেটার ব্যবহৃত হয়। ইহা এক লাইন করে পড়ে ও অনুবাদ করে।

৩৩. ইন্টারপ্রেটারের কাজ লিখ?

উত্তরঃ নিম্নে ইন্টারপ্রেটারের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো দেওয়া হলোঃ

১. উচ্চস্তরের ভাষাকে মেশিনের ভাষায় রূপান্তর করা।

২. ইহা এক লাইন পড়ে ও অনুবাদ করে।

৩. ইহা প্রতিটি লাইনের ভুল প্রদর্শন করে অনুবাদ কাজ বন্ধ করে দেয়।

৪. ডিবাগিং ও টেস্টিংয়ের ক্ষেত্রে দ্রুত কাজ করে।

৩৪. অ্যালগরিদম কাকে বলে?

উত্তরঃ বিশিষ্ট গণিতবিদ আল খারিজমীর নাম থেকে অ্যাগরিদম কথাটির উৎপত্তি হয়েছে। কোন সমস্যা সমাধানের ধাপসমূহকে ভাষাগতভাবে লিপিবদ্ধ করাকে অ্যালগরিদম বলে। সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে প্রোগ্রাম রচনার জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয় অংশের নাম অ্যালগরিদম। প্র্রোগ্রাম রচনা ও নির্বাহের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ধাপগুলো পর্যায়ক্রমিকভাবে লিপিবদ্ধ থাকে অ্যালগরিদমে।

৩৫. অ্যালগরিদমের বৈশিষ্ট লিখ?

উত্তরঃ নিম্নে অ্যালগরিদমের বৈশিষ্ট দেওয়া হলোঃ

১। সহজবোধ্য হবে

২। কাজের উদ্দেশ্য সুস্পষ্ট হতে হবে

৩। প্রত্যেকটি ধাপে স্পষ্ট হবে যাতে যেকোন প্রোগ্রামার সহজে বুজতে পারে

৪। ব্যাপকভাবে প্রয়োগ করা সম্ভব হবে

৫। প্রোগ্রামের ভুল নির্ণয় করা সম্ভব হবে ৬। প্রোগ্রাম পরিবর্তন ও পরিবর্ধনে সহায়তা করবে।

৩৬. ফ্লোচার্ট কী?

উত্তরঃ ফ্লোচার্ট হচ্ছে এক ধরণের রেখাচিত্র যার সাহায্যে একটি অ্যালগরিদম বা প্রক্রিয়াকে প্রকাশ করা যায়।

৩৭. ফ্লোচার্ট কয় প্রকার?

উত্তরঃ ২ প্রকার। যথা:

ক. সিস্টেম ফ্লোচার্ট

খ. প্রোগ্রাম ফ্লোচার্ট।

৩৮. সিস্টেম ফ্লোচার্ট কাকে বলে?

উত্তরঃ কোন সংগঠনের সকল কাজের একটি চিত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করলে তাকে সিস্টেম ফ্লোচার্ট বলা হয়।

৩৯. প্রোগ্রাম ফ্লোচার্ট কী?

উত্তরঃ কোন প্রোগ্রামের অ্যালগরিদম রেখাচিত্রের সাহায্যে প্রকাশ করাকে প্রোগ্রাম ফ্লোচার্ট বলে।

৪০. ডিবাগিং কাকে বলে?

উত্তরঃ প্রোগ্রামের ভুল ত্রুটি সংশোধন করাকে ডিবাগিং বলে।

৪১. ডকুমেন্টশন কাকে বলে?

উত্তরঃ ভুল সংশোধনের পর প্রোগ্রাম ঠিকমতো কাজ করলে তা ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করে রাখতে হয়। আর এই সংরক্ষণকে প্রোগ্রাম ডকুমেন্টশন বলে।

৪২. প্রয়োগের ভিত্তিতে উচ্চস্তরের ভাষাকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়?

উত্তরঃ ২ভাগে ভাগ করা যায়।

৪৩. প্রোগ্রামে কয় ধরনের ভুল হয়?

উত্তরঃ ৩ ধরনের ভুল হয়।

ক. সিনটেক্স ভুল

খ. লজিক্যাল ভুল

গ. তথ্য ভুল।

৪৪.সিনটেক্স ভুল কী?

উত্তরঃ সাধারণত প্রোগ্রামের ভাষার ব্যাকরণগত ভুলগুলোকে সিনটেক্স ভুল (Syntax Error) বলে। যেমনঃ বানান ভুল, কমা, ব্রাকেট না দেওয়া।

৪৫.যুক্তিগত ভুল কী?

উত্তরঃ প্রোগ্রামে যুক্তিগত যে সমস্ত ভুলগুলো থাকে সেগুলোকে যুক্তিগত ভুল (Logical Error) বলা হয়।

৪৬.তথ্য ভুল কী?

উত্তরঃ প্রোগ্রামে তথ্য (information) সংক্রান্ত যে সমস্ত ভুলগুলো থাকে সেগুলোকে তথ্য ভুল (information Error) বলা হয়।

৪৭. স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং কী?

উত্তরঃ স্ট্রাকচার প্রোগ্রামিং হলো একটি প্রোগ্রামের স্টেটমেন্টগুলো ভিন্ন ভিন্ন শ্রেনিতে বিভক্ত করে লেখা। স্ট্রাকচার প্রোগ্রামের সংগঠনের একটি মূল অংশ।

৪৮. ভিজুয়্যাল ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং কী?

উত্তরঃ ভিজুয়্যাল প্রোগ্রাম হলো এটাও GUI (Graphical User Interface) এ তৈরী করার প্রোগ্রাম।

৪৯. অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং কী?

উত্তরঃ প্রোগ্রামিং মডেলগুলোর মধ্যে অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং মডেল নতুন এবং জনপ্রিয়। অবজেক্ট বা চিত্রভিত্তিক কমান্ডের সাহায্যে চালিত প্রোগ্রামকে অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং বলা হয়।

৫০. ইভেন্ট কী?

উত্তরঃ কী-বোর্ডের কোনো কী-তে চাপ দেওয়া, কোনো বিশেষ কন্ট্রোলের উপর মাউসের পয়েন্টার দিয়ে ক্লিক করা ইত্যাদি হলো ইভেন্ট।

৫১. ডেটা টাইপ কী?

উত্তরঃ ডেটার ধরনকে ডেটা টাইপ বলা হয়। C প্রোগ্রামিং এ বিভিন্ন প্রকার ডেটা নিয়ে কাজ করা হয়।

৫২. ইউনারি অপারেটর কী?

উত্তরঃ যে সকল অপারেটর একটি মাত্র অপারেন্ড নিয়ে কাজ করে তাদের ইউনারি অপারেটর বলে।

৫৩. বাইনারি অপারেটর কাকে বলে?

উত্তরঃ যে সব অপারেটর দুইটি অপারেন্ড নিয়ে কাজ করে তাদেরকে বাইনারি অপারেটর বলে ।

৫৪. কী ওয়ার্ড কী?

উত্তরঃ বিশেষ কাজে ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত শব্দগুলে কে কী ওয়ার্ড বলে।

৫৫. স্টেটমেন্ট কী?

উত্তরঃ প্রোগ্রামে কোন এক্সপ্রেশনের শেষে যখন সেমিকোলন (;) দেওয়া হয়, তখন প্রোগ্রামের ভাষায় একে স্টেটমেন্ট বলা হয়।

৫৬. স্টেটমেন্ট কত প্রকার?

উত্তরঃ স্টেটমেন্ট ২ প্রকার।

৫৭. কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট কাকে বলে?

উত্তরঃ পোগ্রামে শর্ত সাপেক্ষে কোন স্টেটমেন্ট সম্পাদনের জন্য কন্ডিশনাল কন্ট্রোল ব্যবহার হয়। এরূপ শর্ত যুক্ত স্টেটমেন্টকে কন্ডিশনাল কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট বলে।

৫৮. অ্যারে কী?

উত্তরঃ অ্যারে হলো একই ধরনের ডেটার সমাবেশ। কতকগুলো ভেরিয়েবল ডেটা উপাদানের সমষ্টিকে অ্যারে বলে। অ্যারে শব্দের অর্থ হলো শ্রেণী বা বিন্যাস। একই জাতীয় বা সমজাতীয় ডেটার বিন্যাসকে বলা হয় অ্যারে।

৫৯. একমাত্রিক অ্যারে কাকে বলে?

উত্তরঃ যে অ্যারেতে একটি মাত্র কলাম ও একাদিক সারি অথবা একটি মাত্র সারি এবং একাদিক কলাম উপস্থাপন করা হয় তাকে একমাত্রিক অ্যারে বলা হয়।

৬০. দ্বিমাত্রিক অ্যারে কাকে বলে?

উত্তরঃ যে অ্যারেতে একাদিক সারি ও একাদিক কলামে ডেটা উপস্থাপন করা হয় তাকে দ্বিমাত্রিক অ্যারো বলা হয়।

৬১. ফাংশন কাকে বলে?

উত্তরঃ বড় কোন প্রোগ্রামকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করার পদ্ধতিকে ফাংশান বলে।

৬২. লাইব্রেরি ফাংশন কাকে বলে?

উত্তরঃ যে ফাংশন পূর্ব থেকে তৈরি করা থাকে এবং ফাংশনগুলো ফাংশন প্রোটোটাইপ বিভিন্ন হেডার ফাইলে দেওয়া থাকে। এ ধরনের ফাংশন -গুলোকে লাইব্রেরি ফাংশন বলে।

৬৩. প্রোগ্রাম কী?

উত্তরঃ প্রোগ্রাম বা সফটওয়ার হলো কতগুলো ধারাবাহিক নির্দেশনা যা একটি কম্পিউটারকে কোন কাজ সম্পাদন করার জন্য নির্দেশ দিয়ে থাকে। একটি কম্পিউটার অনেক বড় এবং জটিল সমস্যা সমাধান করতে পারে। সঠিকভাবে কাজ করার জন্য কম্পিউটারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ নির্দেশনা সেটকে প্রোগ্রাম বা সফটওয়ার বলে।

৬৪. প্রোগ্রামের ভাষা কাকে বলে?

উত্তরঃ কম্পিউটার মানুষের ব্যবহুত ভাষা বুঝতে পারে না। যে বোধগম্য ভাষার কোন নিদিষ্ট সমস্যা সমাধানের জন্য কম্পিউটারকে নির্দেশনা প্রধান করা হয় ,তাকে প্রোগ্রাম ভাষা বলে।

৬৫. মেশিন ভাষা কাকে বলে?

উত্তরঃ অতীতে কম্পিউটার আকৃতি ছিল খুব বড় এবং তা ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য ছিল না। এক্ষেত্রে কম্পিউটারের প্রোগ্রামিং করার ক্ষেত্রে দ্বিমুখী সুইচ ব্যবহার করা হতো। এ সময় প্রোগ্রাম ব্যবহারের কোনো সুবিধা ছিলো না, সম্পূর্ন হার্ডওয়ার প্রযুক্তিতে কম্পিউটার প্রোগামিং করা হতো। পরবর্তিতে কম্পিউটারের জন্য ১ এবং ০ ব্যবহার করে প্রোগামিং করা হয় যা কম্পিউটারের মেশিন ভাষা নামে পরিচিত।

৬৬. অ্যাসেম্বলি ভাষা কী?

উত্তরঃ প্রোগ্রামিংয়ের কাজের সহজ করার জন্য মেশিন ভাষার পরে অ্যাসেম্বলি ভাষার উদ্ভব ঘটে। অ্যাসেম্বলি ভাষাকে দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা বা সাংকেতিক ভাষাও বলা হয়। ১৯৫০ সালে অ্যাসেম্বলি ভাষা চালু হয়। এতে প্রোগ্রাম লেখার কাজ অনেক সহজ হয়।

৬৭. মধ্য স্তরের ভাষা কী?

উত্তরঃ ১৯৬০ সালের দিকে ইংরেজী ভাষাকে প্রাধান্য দিয়ে কম্পিউটারের প্রোগ্রাম রচনার করার জন্যে যে ভাষা আবিষ্কৃত হয় তা মধ্য স্তরের ভাষা নামে পরিচিত।

৬৮. উচ্চস্তরের ভাষা কী?

উত্তরঃ উচ্চস্তরের ভাষা হলো ইংরেজী ভাষা এবং আরো বেশি কাঠামোবদ্ধ। উচ্চস্তরের ভাষা আমেরিকান ন্যাশনাল স্টান্ডার্ড ইন্সটিটিউটের নির্দেশ মেনে বেশির ভাগ উচ্চস্তরের ভাষা তৈরী হয়। উচ্চস্তরের ভাষা সহজে লেখা যায়, সংকলন করা যায় এবং ভুল সংশোধন করা যায়। উচ্চস্তরের ভাষায় বৈশিষ্ঠ্য হল ইহা বানিজ্যিক ও বৈজ্ঞানিক প্রয়োগের ভাষা। এটা বহু প্রয়োগ ও চতুর্থ প্রজন্ম ভাষা। তাই উচ্চস্তরের ভাষাকে বহু প্রয়োগের ভাষা বলা হয়।

৬৯. সি কী?

উত্তরঃ সি হলো উচ্চস্তরের প্রোগ্রাম ভাষা। ১৯৬৯-১৯৭৩ সালে Dennis Ritchie সি প্রোগ্রাম ভাষার উদ্ভাবন করেন। কম্পিউটারের প্রোগ্রাম লেখার ক্ষেত্রে সহজভাবে ব্যবহার করা যায়। গঠনতান্ত্রিক প্রোগ্রামিংয়ের জন্য সি প্রোগ্রাম ভাষা ব্যবহার করা হয়।

৭০. সি++ কী?

উত্তরঃ সি++ হলো উচ্চস্তরের প্রোগ্রাম ভাষা। সি প্রোগ্রামের মতো সি++ ভাষার বৈশিষ্ট্য হলো এটা বাণিজ্যিক ও বৈজ্ঞানিক প্রয়োগের ভাষা। এটি বহু প্রয়োগের ভাষা। ইহা উচ্চস্তরের ভাষা। এ ভাষার কম্পাইলড কোড মেশিন নির্ভর ও নয়।

৭১. জাভা কাকে বলে?

উত্তরঃ জাভা হলো উচ্চস্তরের ভাষা। এ ভাষার মূল বৈশিষ্ঠ্য হলো কম্পাইলড কোড মেশিন নিভর। সি++ প্রোগ্রামের মতো জাভা ভাষার বৈশিষ্ঠ্য হলো ইহা বাণিজ্যিক ও বৈজ্ঞানিক প্রয়োগের ভাষা।

৭২. চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা কী?

উত্তরঃ বিজ্ঞানীগণ কম্পিউটারের ভাষা উন্নতির জন্য অবিরত চেষ্টা করে চলছেন। তাদের অবিরত চেষ্টার ফসল হলো চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা। চতুর্থ প্রজন্মের ভাষার সংক্ষিপ্ত রুপ হচ্ছে 4GL, ফক্স প্রো, ভিজুয়্যাল বেসিক, কোবল, এম এস এক্সেস, এস.কিউ,এল. এ সব প্রোগ্রামগুলো চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা নামে পরিচিত। এ সব ভাষায় ডাটাবেজ কুয়েরী, অনুসন্ধান, সাজানো এবং প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে বড় ধরনের সুবিধা লাভ করা যায়।

৭৩. প্রোগ্রাম তৈরীর ধাপসমূহ কী?

উত্তরঃ কম্পিউটারের সাহয্যে কোন বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্যে কতকগুলো পদক্ষেপ নিতে হয় এ পদক্ষেপ সমূহকে প্রোগ্রাম তৈরীর ধাপ বলে।

৭৪. প্রোগ্রামের ভাষা কী?

উত্তরঃ কম্পিউটারের তার নিজের বোধগম্য ভাষায় নির্দেশ দানের জন্য সুনির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী ব্যবহৃত বর্ণ, শব্দ, সংকেত ইত্যাদি বিন্যাসই হচ্ছে প্রোগ্রাম। এ সংকেত, বর্ণ, শব্দ এগুলোর বিন্যাসকেই এক সাথে বলা হয় প্রোগ্রামের ভাষা।

৭৫. ধ্রুবক কাকে বলে?

উত্তরঃ ধ্রুবক বলতে এমন কোনো মানকে বোঝানো হয়েছে যা প্রোগ্রাম করার পর পরিবর্তন করা যায় না। অর্থাৎ ’সি’ প্রোগ্রামিংয়ের প্রোগ্রাম নির্বাহের সময় যে সকল মানের কোনো পরিবর্তন হয়না তাকে ধ্রবক বলে।

৭৬. চলক কাকে বলে?

উত্তরঃ চলক মানে পরিবর্তনশীল। চলক বলতে এমন কোনো মানকে বোঝানো হয় যা প্রোগ্রামে চালু করার পর পরিবর্তন করা যায়। অর্থাৎ ’সি’ প্রোগ্রামিংয়ে প্রোগ্রাম নির্বাহে সময় যে সকল মান ব্যবহারকারী প্রয়োজনানুসারে পরিবর্তন করতে পারে তাকে চলক বলে!

77.ওরাকল কারা উন্নয়ন করেন কারা?

উত্তরঃ Software Development Labratories প্রতিষ্ঠান।


Comments

Popular posts from this blog

Termux Beginner to Advance Guidelines

  যারা এখনো টারমাক্স সম্পর্কে জানেন বা প্রশ্ন আছে টারমাক্স ইন্সটল করার পর কি করবো? তাদের জন্য পোস্ট টি। প্রথমত, টারমাক্স ইন্সটল করেই কারো আইডি হ্যাক করা বা হ্যাকার হয়ে যাওয়ার চিন্তা বাদ দেন। আগে শেখার উপর ফোকাস করেন। এখন আসি টারমাক্স এর ব্যাপারে, টারমাক্স সম্পর্কে জানতে হলে আপনাকে প্রথমে লিনাক্স সম্পর্কে জানতে হবে। লিনাক্স কি? লিনাক্স আসলে কোন অপারেটিং সিস্টেম নয়, এটি মূলত একটি কার্নেল—বলতে পারেন, যেকোনো অপারেটিং সিস্টেমের এটি হার্ট, কেনোনা কার্নেল কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করতে সাহায্য করে। যদি সহজ ভাষায় বলতে চেষ্টা করি, অবশ্যই লিনাক্স উইন্ডোজের মতোই একটি কমপ্লিট সিস্টেম, যেটার সাহায্যে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব। তবে টেকনিক্যালি এটি উইন্ডোজ থেকেও বেশি কিছু। লিনাক্সকে একটি ইঞ্জিন বলতে পারেন, যেটি আলাদা অনেক অপারেটিং সিস্টেম চালানোর জন্য পাওয়ার প্রদান করে থাকে।  লিনাক্সের উপর তৈরি অপারেটিং সিস্টেম গুলোকে ডিস্ট্রিবিউশন বা সংক্ষেপে ডিস্ট্রো বলা হয়, যেমন- উবুন্টু, লিনাক্স মিন্ট, রেড হ্যাট, ফেডোরা, ইত্যাদি। বর্তমানে হ্যাকারদের বহুল ব্যাবহৃত Kali...

What is hacking? হ্যাকিং কি?

  হ্যাকিং বলতে একটি কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কে অননুমোদিত অ্যাক্সেস লাভের কাজকে বোঝায়। এতে হ্যাকার অ্যাক্সেস করার জন্য অনুমোদিত নয় এমন তথ্য বা সংস্থানগুলিতে অ্যাক্সেস পেতে সিস্টেমের সুরক্ষার দুর্বলতাগুলি সনাক্ত করা এবং শোষণ করা জড়িত। হ্যাকিং বিভিন্ন কারণে করা যেতে পারে, যার মধ্যে আর্থিক লাভ, ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য, অথবা একটি সিস্টেমের নিরাপত্তা পরীক্ষা এবং উন্নত করা। যাইহোক, এটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে অনুমতি ছাড়া হ্যাকিং অবৈধ এবং এর ফলে ফৌজদারি অভিযোগ, জরিমানা এবং কারাদণ্ড হতে পারে। হ্যাকিং দুই ধরনের: এথিক্যাল হ্যাকিং এবং অনৈতিক হ্যাকিং। এথিক্যাল হ্যাকিং, যা পেনিট্রেশন টেস্টিং নামেও পরিচিত, দুর্বলতা শনাক্ত করতে এবং নিরাপত্তা উন্নত করতে সিস্টেম মালিকের অনুমতি এবং জ্ঞান নিয়ে করা হয়। অপরদিকে, অনৈতিক হ্যাকিং করা হয় অনুমতি ছাড়া এবং দূষিত উদ্দেশ্যে। এটা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ যে হ্যাকিং যখন নৈতিক এবং অনৈতিক উভয় উদ্দেশ্যেই ব্যবহার করা যেতে পারে, এটি সর্বদা নৈতিক ও আইনানুগভাবে কাজ করা এবং অন্যদের গোপনীয়তা এবং নিরাপত্তাকে সম্মান করা গুরুত্বপূর্ণ। হ্যাকিং বলতে সাধারণত কম্...

কার্ডিং বা ক্রেডিট কার্ড হ্যাকিং কি?

  আজ আমি কার্ডিং বা ক্রেডিট কার্ড হ্যাকিং নিয়ে বেসিক আলোচনা করবো। কার্ডিং কিঃ  নরমালি বুঝতে পারছেন এটি কার্ড এর সাথে সম্পর্কিত। সাধারণত ক্রেডিট কার্ড এর ইনফর্মেশন হ্যাক করা কার্ডিং। শুধু এটাই না কার্ডিং অনেক রকমের হয়। মনে করেন যদি আপনার Coinbase বা বিভিন্ন শপিং সাইটের ইউজার পেমেন্ট ডাটাবেজে বা অন্য কোন অনলাইন অ্যাকাউন্টের অ্যাক্সেস পেতে পারি সেটাও কার্ডিং। তবে কার্ডিং যে ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহার হয় তার একটি উদাহরণ হলো কম দামে কোন প্রোডাক্ট কেনা বা ফ্রি কেনা। বাস্তব উদাহরণ হিসেবে মনে করুন আমি অনলাইন শপ থেকে একটি 5 ডলারের গিফট কার্ড কিনব। সাধারণ ভাবে এটার জন্য আমাকে 6 ডলার পে করতে হবে। কিন্তু আমি কার্ডিং এর মাধ্যমে 1/2 বা 0 ডলারে আমার পেপাল থেকে পে করব এবং গিফট কার্ডটি কিনতে পারব। এই পদ্ধতিকে Html Injection বলা হয়ে থাকে। অনেকে হয়তো বিশ্বাস করতে পারছেন না। আপনি যদি কখনো dark web এর অনলাইন গিফট কার্ড শপে ভিজিট করে থাকেন তাহলে আপনি দেখবেন ওখানে গিফট কার্ড গুলোর মূল্য নরমালি শপের থেকে অনেক কম। কারণ এগুলো কার্ডিং এর মাধ্যমে হ্যাক করে পরে বিক্রি করে। গুগল এ সার্চ করে আরো জানতে পারবেন। ক...